সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কলাপাড়ায় গ্রাম পুলিশ সংগঠনের নতুন কমিটি গঠন কলাপাড়ায় স্কুলে হঠাৎ ২৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কলাপাড়ায় সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রি; সন্তুষ্ট গ্রাহক রেডিয়েন্ট ইসলামিক মডেল স্কুলে দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফল প্রকাশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নি’হ’ত নৌসদস্যের সামরিক মর্যাদায় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া নৌবাহিনী শিপইয়ার্ডে দেশীয় প্রযুক্তিতে নির্মিত হলো টাগবোট ‘টিয়াখালী-৪’ মহিপুরে ১৭৫ পিস ই’য়া’বাসহ দুই মা দ ক ব্যবসায়ী গ্রে’প্তা’র পাখিমারায় রিও’র উদ্যোগে ‘উপকূল পাঠাগার’ কমিটি গঠন আমতলী বকুলনেছা মহিলা ডিগ্রি কলেজে নবীন বরণ কলাপাড়ায় বন্দোবস্ত পাওয়া জমিজমার দ’খ’ল ঠেকাতে ভূমিহীনসহ স্থানীয়দের মা ন ব ব ন্ধ ন
আমতলীতে সরকারী জমির গাছ কেটে নিলেন প্রধান শিক্ষক!

আমতলীতে সরকারী জমির গাছ কেটে নিলেন প্রধান শিক্ষক!

আমতলী প্রতিনিধিঃ আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহনকৃত জমির রেইন্টি, নারিকেল গাছ কেটে নিয়েছেন বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোসাঃ মাহফুজা আক্তার। এমন অভিযোগ করেছেন বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আফাজ উদ্দিন বিশ্বাসের নাতি আল আমিন বিশ্বাস।

কিন্তু বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকের দাবী তিনি ওই গাছ রোপন করেছেন তাই গাছ কেটে নিতেছি। ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার দুপুওে আড়পাঙ্গাশিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে।

জানাগেছে, বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ড ১৯৬৮ সালে আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়নের ৪৪ নং পোল্ডারে জমি অধিগ্রহন করেন। ওই জমিতে স্থানীয়রা রেইন্টি ও নারিকেল গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপন করেন। ওই জমি সংলগ্ন জমিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা আফাজ উদ্দিন বিশ্বাস আড়পাঙ্গাশিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। ওই জমির পাঁচটি রেইন্টি ও দুইটি নারিকেল গাছ মঙ্গলবার দুপুরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোসাঃ মাহফুজা আক্তার কেটে ফেলেছে। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাতার নাতি আল আমিন বিশ্বাস অভিযোগ করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সরকারী কোন অনুমতি ছাড়াই গাছ কেটে ফেলেছেন। কিন্তু বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দাবী করেছেন জমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের হলেও গাছ তিনি রোপন করেছেন বিধায় কেটে ফেলেছেন। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছেন। এ ঘটনায় আল আমিন বিশ্বাস উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলমের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। কিন্তু উপজেলা নির্বাহী অফিসার গাছ কাটতে নিষেধ করলেও প্রধান শিক্ষক তা মানছেন না।

মঙ্গলবার দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে চারজন শ্রমিক গাছ কাটছেন। এবং গাছের কিছু কাটা অংশ মাটিতে স্তুপ করে রেখেছেন।

গাছকাটা শ্রমিক জাকির হোসেন বলেন, প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে আমরা গাছ কাটছি।

প্রধান শিক্ষক মোসাঃ মাহফুজা আক্তার বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি হলেও গাছ আমি রোপন করেছি। আমার রোপিত গাছ আমি কেটে নিচ্ছি। গাছ কাটতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনুমতি নিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। তিনি আরো বলেন, আমার বিদ্যালয় ভবনের সমস্যা হয় বিধায় গাছ কেটেছি।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ হিমেল মিয়া বলেন, বিষয়টি আমি জানিনা। খোজ খবর নিয়ে দ্রæত এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, সরকারী জমির গাছ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কেউ কাটতে পারবে না। প্রধান শিক্ষক গাছ কেটে থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!